A Theory Built for Berlin, Applied to Dhaka: 78 Years of the Wrong Diagnosis
In Monsoon, Robert Kaplan made an argument that has aged into prophecy: that the Indian Ocean, not the Pacific or the Atlantic, would become the century's central stage, because it is where energy, trade and rival navies would collide with the least room to manoeuvre. Kaplan wrote of the Bay of Bengal as the ocean's most contested northern lip — the place where China's hunger for a route around the Malacca Strait would eventually run headlong into India's oldest anxieties about its own eastern flank. I have returned to that argument more than once while reporting this dossier, because nothing happening in Rakhine State or in the boardrooms of Beijing and Dhaka makes sense without it.
Tarique Rahman's first overseas tour — Kuala Lumpur to Beijing — rewrites Bangladesh's foreign policy grammar and hands India a geopolitical reckoning it has long been avoiding.
যে সরকার জনগণকে স্থিতিশীলতা, বাজার নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেই সরকার আজ আন্তর্জাতিক দাতাদের দরজায় দুই বিলিয়ন ডলারের ভিক্ষার থালা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে শুধুমাত্র দেশের তেল-গ্যাস আমদানি সচল রাখার জন্য। সরকার নিজেই স্বীকার করেছে যে জ্বালানি সংকট সামাল দিতে জরুরি বহিঃসহায়তা প্রয়োজন কারণ রাষ্ট্রীয় কোষাগার এই ধাক্কা বহন করার মতো অবস্থায় নেই। এটি নিয়ন্ত্রণ নয়, এটি সময় কিনে নেওয়া। এটি চিকিৎসা নয়, এটি স্যালাইন ঝুলিয়ে রোগীকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা। কিন্তু অর্থনীতির আইসিইউতে থাকা রাষ্ট্রকে স্যালাইন দিয়ে বেশিদিন টিকিয়ে রাখা যায় না। সামনে যে মূল্যস্ফীতির দ্বিতীয় ঢেউ আসছে, তার শব্দ ইতোমধ্যেই বাজারে শোনা যাচ্ছে।
ভারতে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের আশ্রয় লাভের ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারতের সংশ্লিষ্টতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত দিক। বিশেষত ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর তার কন্যা শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের বহু নেতা জীবন বাঁচাতে ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় গ্রহণ করেন। শেখ হাসিনা তার স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে ১৯৭৫—১৯৮১ সাল পর্যন্ত ৬ বছর ভারতে অবস্থান করেন। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নির্দেশে ...................
জামায়াতকে দাবিয়ে রাখার জন্য পরিকল্পিতভাবে ৫৩টি আসনে কারচুপি করা হয়েছে। দ্য নিউজ চ্যানেলের সাংবাদিক মাসুদ মাহবুব এমন একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেছেন। ২০২৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি তার নিউজ চ্যানেলে বলেন, জামায়াতকে ৫০টি সীট কম দেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। নির্বাচনের দু্ু্ই তিন আগে তাকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একজন লোক ফোন দিয়ে বলেছিলেন যে,................
২০২৪ সালের আগস্টের ৮ তারিখ—প্রায় তিন দিনব্যাপী অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার পর শেখ হাসিনার দেশত্যাগের মধ্য দিয়ে “দীর্ঘ জুলাই”-এর অবসান ঘটে। এরপর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে গঠিত হয় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই সরকারের কার্যক্রমের মূল্যায়ন করলে বলা যায়, সরকার মোটামুটি সন্তোষজনকভাবে দেশকে স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। তবে এ মূল্যায়ন নিঃসন্দেহে বিষয়ভিত্তিক ও ব্যাখ্যা-নির্ভর।
বিশ্বজুড়ে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে ডানদিকে। ঢাকা থেকে লন্ডন পর্যন্ত—জাতীয়তাবাদ, সাংস্কৃতিক রক্ষণশীলতা এবং কঠোর আইন-শৃঙ্খলা নীতির প্রতি ঝোঁক বাড়ছে। বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক দলগুলো এখন নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি: জনমতের স্রোত আর আগের মতো নেই, এবং ‘লিবারেল’ বা উদারনৈতিক রাজনীতির জায়গা ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে।
২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা রেজিমের পতনের পর; পরবর্তী নির্বাচন কখন অনুষ্ঠিত হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধ এবং সশস্ত্র বাহিনীর সাথে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে অন্তর্বর্তী সরকার স্থবির হয়ে পড়েছে বলে পর্যবেক্ষকরা বলছেন। দৃশ্যত, এটি ছিল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন নেতা এবং নোবেল বিজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এবং দেশের তিনটি সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানদের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে একটি রুটিন রুদ্ধদ্বার বৈঠক।